প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ৬

The meeting of the general body, BIMS will be held at Supreme Court bar auditorium on 4th November 2017 at 10AM. All members are requested to attend the general meeting.
– Director(Administration BIMS)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ৫


Training jointly organised by Bangladesh international Mediation Society (BIMS) & KoVe Global
20 – 21 December 2017
Surma Conference Room, Pan Pacific Sonergaon Hotel, Dhaka, Bangladesh

The process of arbitration is a faster, simpler and less expensive alternative to litigation. Arbitration, being a formal, private and binding process where disputes are resolved by a final award made by one or more independent arbitrators, now plays an important role across the world. It essentially includes all forms of dispute resolution that do not involve the courts in the process of settlement. It is, in every sense of the term, an alternative to conventional judicial processes. The underlying concept of Arbitration is best encapsulated as that the forum should fit the fuss, and not vice versa. With time, Arbitration has come to means of Appropriate Dispute Resolution. In light of the rapid growth of collaborative negotiation, mediation and other settlement processes, there is, in fact, nothing alternative at all about Arbitration today. The trend in the world of avoiding arbitration is not only affecting the economy but also burdening the already stretched judiciary, though in most developed countries, this is accepted as an effective and speedier way of resolving disputes. With many companies going global and with businesses coming together for more than one reason, disputes and issues are bound to arise between different stakeholders. Arbitration as a tool for dispute resolution could then prove to be more useful in such cases and acceptable in various jurisdictions. 


Veeraraghavan INBAVIJAYAN
is an International arbitrator based in Chennai, India. He presides over International & Domestic Arbitrations & has a whole-time arbitration practice. His areas of practice includes international commercial arbitration, maritime arbitration, international trade and contracts, intellectual property rights, construction disputes, joint ventures, finance and investment disputes. He has been accredited as an arbitrator in the HKIAC, CIETAC, RCAKL, CRCICA, ICADR, CIDRA and various other regional and national arbitration institutions. He is a Fellow and approved Tutor of the Chartered Institute of Arbitrators, UK, and was listed in the 2008 edition of the International Who’s Who of Commercial Arbitration. He has written several articles and books on arbitration and ADR and has lectured at law schools and conferences worldwide.

প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ৪

তাং-১৯ই আগষ্ট, ২০১৭

অদ্য Bangladesh International Mediation Society এর উদ্দ্যেগে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার আরবিট্রেশন সেন্টারে ‘Mediation in Statutory Laws : Bangladesh’ এবং ‘Mediation in Bangladesh & UK : A Comparative Study’ শীর্ষক দিনব্যাপী Workshop অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটির চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মাদ দেলওয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত Workshop-টির সঞ্চালণ করেন সোসাইটির সম্পাদক এ্যাডভোকেট সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী। Key note Speaker ছিলেন ব্যারিষ্টার এম. হারুন-অর-রশিদ (Civil & Commercial Mediator, ADR Group, UK Ges Member of INADR, California, USA) এবং মিস তন্ময় রহমান শান্তা এ্যাডভোকেট।
এ্যাডভোকেট তন্ময় রহমান মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর পবিত্র কালো পাথর হাজরে আসওয়াদ পুনস্থাপনের তথ্য দিয়ে তাঁর উপস্থাপনা শুরু করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে What is ADR ?, What is Arbitration ?, What is Mediation ? ইতিহাস সমূহ তুলে ধরেন এবং চীন, জাপান, আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশ সমূহের মেডিয়েশন সম্পর্কিত ইতিহাস আলোচনা করেন। তিনি মেডিয়েশনের টাইপ সমূহ যেমন, Interest based Mediation, Rights based Mediation, Transformative Mediation এবং Pure process Mediation ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন এবং তিনি বাংলাদেশের প্রচলিত (i) The Code of Civil Procedure, 1908, (ii) The Code of Criminal Procedure, 1898, (iii) The Artha Rin Adalat Ain, 2003, (iv) Bankruptcy Act, 1997, (v) The Muslim Family Court Ordinance, 1985, (vi) The Muslim Family Law Ordinance, 1961, (vii) The Village Court Act, 2006, (viii) The Custom Act, 1969, (ix) The bank Companies Act, 1991, (x) The Income Tax Ordinance, 1984, (xi) The Labour Code, 2006 ইত্যাদি আইন সমূহের Arbitration/Mediation সম্পর্কিত Clause সমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করেন এবং তিনি বলেন, ‘In ancient times, the history of mediation was the history of diplomacy’ তিনি পরিশেষে United States Government কর্তৃক প্রচলিত Federal Mediation & Conciliation Service প্রশংসনীয় উদাহরণ উপস্থাপন করেন।
মূল Key note Speaker ব্যারিষ্টার হারুন-অর-রশিদ Negotiation, Mediation and Conciliation এর পার্থক্য সমূহ উপস্থাপন করেন। তিনি Skills of a Mediator সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি Negotiation ও Conciliation বিভিন্ন Phase উপস্থাপন করেন। UK এর সাথে বাংলাদেশে Mediation সম্পর্কে তুলনামূলক আলোচনায় বলেন, United kingdom-এ ‘Civil Mediation Council, 2003’ রয়েছে। যেখানে 400 individual members & about 90 member organizations in UK রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এ ধরনের কোন Regulatory body নাই। এক্ষেত্রে Bangladesh International Mediation Society যথোপযুক্ত ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি প্রস্তাব করেন, বাংলাদেশে বিরোধ নিস্পত্তিতে রাষ্ট্র ‘National Council for Mediation’ সৃষ্টি করতে পারে এবং যাহা ‘Work as a Regulatory body’ হিসাবে Training course ইত্যাদিসহ জনগণকে ও আইনজিবিগণকে Mediation সম্পর্কে উচ্চ ধরণা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

অদ্যকার Workshop মনে করে Mediation দ্বারা অর্থাৎ উদ্ভুতকরণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে বিরোধ নিস্পত্তিতে শান্তিপূর্ণ সচেতনতায় দেশকে সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ দ্বারা সামাজিক শান্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। একাজে আইনজিবিগণ অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন। সর্বাগ্রে মেধাবান ও বুদ্ধিভিত্তির চর্চাকারী আইনজিবিগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়া আবশ্যক।

অদ্যকার Workshop মনে করে এক একজন মেধাবান ও সচেতন আইনজিবি Mediator হিসাবে ‘Work as a Pressure group to introduce Mediation in the Academic and Profession level’. অদ্যকার Workshop মনে করে বিচারকগণের Mediation সম্পর্কে উন্নত ধারণা সৃষ্টিতে Bangladesh International Mediation Society ইতিবাচক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বার্তা প্রেরক
ডাইরেক্টর (মিডিয়া এন্ড প্রেস)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ৩

তাং-০৫ই আগষ্ট, ২০১৭

আমাদের দেশে পরিবেশ সংক্রান্ত (১) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন, ১৯৯৫ (২) পরিবেশ আদালত আইন , ২০০০ (৩) পরিবেশ সংরক্ষন বিধিমালা, ১৯৯৭ (৪) ইট পোরান (নিয়ন্ত্রন ) আইন, ১৯৮৯ (৫) ইটা পোরানো  (নিয়ন্ত্রন) বিধিমালা, ১৯৮৯ (৬) The Building Construction Act, 1952 (৭) ইমারত নির্মান বিধিমালা, ১৯৯৬(৮) সহানগরী, বিভাগীয়  শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সকল পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলধারা সংরক্ষন আইন, ২০০০ (৯) The Motor Vehicles Ordinance , 1983 (১০) The Motor vehicles Rules, 1940 (১১) The Environment Pollotion Control Ordinance, 1977 (১২) Environment Conservation Rules, 1997 এবং (১৩) পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় কর্তৃক বর্তমান তারিখ পর্যন্ত জারীকৃত পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন, গনবিজ্ঞপ্তি ও পরিবেশ অধিদপ্তর এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয় কর্তৃক জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি সমূহ এবং পরিবেশ নীতি, ১৯৯২ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অদ্যকার Workshop -এ সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপনা করা হয়। এছারাও পরিবেশ আদালত আইন, ২০০০ ও পরিবেশ আদালত (সংশোধন) আইন,২০০২ আলোচনায় আসে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক জাতীয় সংসদে ২৫ জানুয়রী, ১৯৭৫ তারিখে প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছিলেন, “আল্লাহর মর্জি যদি একটা মামলা  সিভিল কোর্টে হয়, বিশ বৎসরেও সে মামলা শেষ হয় বলতে পারেন আমার কাছে ? বাপ মরে যাবার সময় দিয়ে যায় ছেলের কাছে। আর উকিল দিয়ে যায় তার জামাইর কাছে সেই মামলা। আর ক্রিমিনাল কেস হলে এই লোয়ার কোর্ট, জজ কোর্ট-বিচার নাই। জাস্টিস ডিলেট,  জাস্টিস ডিনাইড-উই হ্যাভ টু মেইড এ কমপ্লিট চেইঞ্জ এবং সিসটেমের মধ্যে পরিবর্তন করতে হবে। মানুষ যাতে সহজে বিচার পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে বিচার পায় । ব্যাপক পরিবর্তন দরকার।” তিনি আরো বলেন, “আমাদের সোসালি বয়কট করতে হবে-যে লোকটা ঘুষ খায় তাকে।  সোসালি বয়কট করতে হবে-যে লোকটার মাইনে হাজার টাকা, কিন্তু ব্যয় করে পাঁচ হাজার টাকা, তাকে।” আদ্যকার Workshop গভীর শ্রদ্ধার সাথে ষ্মরন করছে।

Mediation দ্বারা অর্থাৎ উদ্ভুতকরনে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে পরিবেশ সচেতনতায় আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই-যে পরিবর্তন দ্বারা আমরা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিংবা পরিবেশ ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ বা  পরোক্ষ ক্ষতি কিংবা পরিবেশ দূষন বা অবক্ষয় জোরালো ভাবে রোদ করতে পারি। পাহার কাটা বন্ধ হতে পারে, খাল-বিল-পুকুর অন্যায় ভাবে ভরাট বন্ধ হতে পাওে, Water Pollution বন্ধ হতে পারে যদি আমরা আইন সচেতন হই এবং নিজেদেরকে পরিবেশ রক্ষায় এক একজন কর্মী হিসাবে গড়ে নিতে পারি। একাজে আইনজীবিগন আগ্রনী ভূমিকা পালন করতে পারেন। সর্বাগ্রে মেধাবান ও বুদ্ধিভিত্তিক চর্চাকারি আইনজীবিগনের ঐক্যবদ্ধ হওয়া আবশ্যক।

অদ্যকার Workshop মনে করে এক একজন মেধাবান ও সচেতন আইনজীবি জাতির এক একটি বিবেক স্তম্ভ। রাজনৈতিক পরিচয়ে নয় –- আইনজীবি পরিচয়ে আইনজীবি সমিতিসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন অপরিহার্য। ফলশ্রুতিতে এক্যবদ্ধ মেধাবান আইনজীবি সমাজ জাতির বিবেকের দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হবেন এবং পরিবেশ বান্ধব প্রকৃতি ও সমাজ গঠন সহজ হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের পুর্ব-পুরুষরা একটি গনতান্ত্রিক বার কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে ছিল, কোন ক্ষমতা-দানব তৈরি করার জন্য নয়। স্মরন রাখা উচিত হবে পরিবেশ আদালত আইন পরিবেশ রক্ষায় সন্তোকজনক নহে। অদ্যকার Workshop মনে করে একজনের করা ভূলকে শাস্তিযোগ্য অপরাদ হিসেবে না দেখে ইতিবাচক গঠন মূলক সমালোচনার সুধরে দেবার চেষ্টা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Bangladesh International Mediation Society মনে করে রাজনীতি মুক্ত কিন্তু মেধা ভিত্তিক আইনজীবি নেতৃত্বে যদি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হয় তবে পরিবেশ নীতি ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম দেশব্যাপী আলোরন সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে এবং বাংলাদেশে পরিবেশের উপর বিভিন্ন বিরূপ প্রতিক্রিয়া অতি সহজেই বন্ধ হবে।

বার্তা প্রেরক
ডাইরেক্টর  (মিডিয়া এন্ড প্রেস)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ২

আইনজীবিগণ হচ্ছেন সমাজের বিবেক, স্বাভাবিক নেতা। অত্যন্ত প্রয়োজনে বিপদের দিনে আইনজীবিগণের কাছে মানুষ আসে সহযোগীতা, উপদেশ ও দিক নির্দেশনার জন্য। উপরন্ত আইনজীবিগণকে বলা হয় কোর্টের অফিসার।
ইতিহাস অনুসন্ধানে স্বীকৃত যে, বিবেককে স্রষ্টামূখী দ্বারা সুচারুরূপে অনুশীলনে বিবদমান পক্ষের উপস্থাপিত বিবাদ নিরসনে পক্ষপাতহীন ব্যক্তিবর্গ হচ্ছেন, “পন্ডিত” পর্যায়ক্রমে বিচারকার্য্য সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে “আইনজীবি” শ্রেনী সৃষ্টি হয়েছিল।
বিচার বিভাগ বিভিন্ন স্তরে বিন্যাস্ত বিধায় “আইনজীবি” শ্রেনীরও বিভিন্ন স্তর ছিল। পর্যায়ক্রমে সর্বোচ্চ স্তর সুপ্রীম কোর্টের “আইনজীবি”গণ “এ্যাডভোকেট” নামে, জজ কোর্টের “আইনজীবি” গণ “উকিল” নামে এবং ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টের “আইনজীবি” গণ “মোক্তার” নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ইংরেজী ১৭৯৩ সালে জমিদারী প্রথা চালু হলে খাজনাদি ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়াদি বিচার কার্যে যারা সহায়তা করতেন তাঁরা “রেভিনিউ এজেন্ট” নামে পরিচিত ছিলেন। সমাজ বিবর্তনের মাঝে “আইনজীবি” শ্রেনী বিচার ব্যবস্থা অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। সংগত কারণেই বিভিন্ন স্তরে আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত আচার-আচরণ সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নির্ধারণ করে আইন প্রনয়ন করার প্রয়োজন দেখা দেয়। ফলে ১৮৭৯ সালে প্রনীত হয় ‘Legal Practitioners Act’। এ আইন বলে আইন পেশায় নিয়োজিত সর্বস্তরের আইনজীবিদের তালিকাভূক্তি ও পেশাগত অসদাচরণের বিচার সহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয় হাইকোর্ট এর আওতায়।
কারা আইন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন ? স্বাভাবিকভাবে আইন পেশায় যোগদানকারী প্রায় প্রতিটি ব্যক্তি মেধা সম্পন্ন ও স্বভাবগতভাবে স্বাধীনচেতা – বিষয়টি এক সময়ে সর্বস্বীকৃত ছিল। একারণে “আইনজীবি” দের তালিকাভূক্তি এবং পেশাগত অসদাচরণের বিচারের ক্ষমতা হাইকোর্টের আওতায় ন্যাস্ত করার ব্যাপারটি “আইনজীবি” শ্রেনীর কাছে শ্লাঘাহানীকর হিসেবে বিবেচিত হয়। তীব্র আন্দোলন গড়ে ওঠে। তার পরিনতিতে ১৯২৬ সালে প্রনীত হয় ‘বার কাউন্সিল আইন’। পর্যায়ক্রমে মেধাবান ও বুদ্ধিভিত্তির চর্চাকারী “আইনজীবি” গণের প্রত্যক্ষ আন্দোলনের ফলশ্র“তিতে ‘তালিকাভূক্তি’ ও ‘পেশাগত অসদাচরণের বিচারের ক্ষমতা’ বার কাউন্সিলের আওতায় আনার দাবী উত্থাপিত হওয়ার ফলেই প্রনীত হয় ১৯৬৫ সালে ‘Legal Practitioner and Bar Council Act’। এ আইন বলে “আইনজীবি” দের তালিকাভূক্তি এবং পেশাগত অসদাচরণের বিচার ক্ষমতা উভয়ই বার কাউন্সিলের আওতায় আনা হয়। আর এখানেই “আইনজীবি” দের সু-দীর্ঘ দিনের দাবী পুরোপুরি পূরণ হয়।
প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং-৪৬/১৯৭২ দ্বারা “The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972” মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে “আইনজীবি” দের তালিকাভূক্তি এবং পেশাগত অসদাচরণের বিচার ক্ষমতা উভয়ই বার কাউন্সিলের আওতায় পূর্ববৎ ন্যস্ত হয়। ১৯৭২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু “Rule of Law” প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতা সংগ্রামের মূলস্তম্ভের প্রতি আনুগত্যশীল মেধা সম্পন্ন ও স্বাধীনচেতা “আইনজীবি” সৃষ্টির জন্য ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিল’ এর প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল “আইনজীবি” দের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খান এম.সি.এ. এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আলী এ্যাডভোকেট দ্বয়ের উত্থাপিত দাবীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বার কাউন্সিলকে সর্বপ্রথম ৫০,০০০/- টাকা অনুদান প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত অনুদানের ৫০,০০০/- টাকা স্থায়ী আমানত হিসাবে ব্যাংকে জমা দিয়ে “আইনজীবি কল্যাণ তহবিল” এর সূচনা হয়।
অদ্যকার Workshop মনে করে এক একজন মেধাবান ও সচেতন “আইনজীবি” জাতির এক একটি বিবেক স্তম্ভ। রাজনৈতিক পরিচয়ে নয় – “আইনজীবি” পরিচয়ে আইনজীবি সমিতিসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন অপরিহার্য। ফলশ্র“তিতে ঐক্যবদ্ধ “মেধাবান আইনজীবি” সমাজ জাতির বিবেকের দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হবেন।
কি এমনটি ঘটে গেল ? রাজনীতির বেড়াজালে মেধাবান ও সচেতন আইনজীবিগণকে লুকায়িত করতে বাধ্য করা হলো। মেধা নয় – রাজনৈতিক পরিচয়ে ‘Senior’ হতে শুরু করলো। আইনজীবিদের নেতৃত্বের কথা বলাই বাহুল্য। ফলশ্র“তিতে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত “The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972” মূলস্তম্ভ “আইনজীবিদের তালিকাভূক্তি এবং পেশাগত অসদাচরণের বিচার ক্ষমতা উভয়ই বার কাউন্সিলের হাত ছাড়া” করা হলো। প্রনীত হলো “The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council (Amendment) Act, 2003″।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান আহমেদ আলী এ্যাডভোকেট কর্তৃক লিখিত “রাজনৈতিক বিবেচনায় বার কাউন্সিল আইনে সংশোধনী এনে আমাদের পূর্বসূরীগণ শ্রেনীগত আত্মশ্লাঘা বিবেচনায় আন্দোলন করে যে ক্ষমতা হাইকোর্টের আওতা হতে নিজেদের আওতায় এনেছিলেন তা আবার প্রায় ফেরত দেওয়া হয়েছে। আর এটা করা হয়েছে আইনজীবি শ্রেনীর গুটিকয়েক সদস্যের উদ্যোগে। আর এটা যে আইনজীবি শ্রেনীর জন্য অসম্মান এবং অপমানজনক তা বার কাউন্সিল আইনের ইতিহাস সম্বন্ধে সামান্য অভিজ্ঞতা সম্পন্ন যে কোন আইনজীবিই স্বীকার করতে বাধ্য। ফলে বার কাউন্সিল আইনে আনীত সংশোধনীটি যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ধিকৃত হবে এ ব্যাপারে সন্দেহের কোন কারণ থাকতে পারে না।” এইরূপ বাক্যের সহিত ৩১শে মে, ২০১৭ তারিখ থেকে শুরু করে ১৫ই জুলাই, ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত দেশব্যাপী ৫১৭ জন বিজ্ঞ আইনজীবির উপর পরীক্ষামূলক একটি গবেষণা কার্যক্রম মাধ্যমে “সহমত” উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে Bangladesh International Mediation Society|
অদ্যকার Workshop মনে করে অবসর গ্রহণের পর কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারপতিকে কোন স্তরেই আইনজীবি হিসাবে আইন পেশায় আনা সঠিক নয়। তাঁদের উচিৎ হবে গবেষণা কার্যক্রমে (যদি মেধা সহায়ক হয়) নিজেদেরকে উৎসর্গ করে বিচার অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করা।
গত ইংরেজী ৩০/০৯/২০১০ তারিখ Felicitation Ceremony-তে তৎকালীণ প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক কর্তৃক প্রদত্ত “আমি আমার বিচারক বন্ধুগণকে অনুরোধ করিব যে, আপনারাও এ্যাডভোকেটবৃন্দের প্রতি সন্মানের সহিত ব্যবহার করিবেন, কথা বলিবেন, পদক্ষেপ নিবেন ও দায়িত্ব পালন করিবেন।” বাক্য সমূহ অদ্যকার Workshop গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে।
বার্তা প্রেরক
ডাইরেক্টর (মিডিয়া এন্ড প্রেস)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ১

গত ইংরেজী ৩১.০৫.২০১৭ তারিখ পর্যন্ত (উচ্চ আদালতসহ) কেবলমাত্র বিচারাধীন মামলা নিস্পত্তি করতে ১৩০ বছর সময় আবশ্যক হবে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট সমন্বয় করে দেখা যায়। বিষয়টি অত্যন্ত ভয়াবহ। কি কারণ ?
নিয়মিত আইন পেশায় রত বিজ্ঞ আইনজীবিদের অভিজ্ঞতা সমন্বয় করে দেখা যায়

(ক) অসৎ ও অদক্ষ কিছু বিচারক/বিচারপতি দের কারণে ৫৬%

(খ) আইনের প্রতি উদাসীন, লোভী ও আইনচর্চাহীন কিছু আইনজীবিদের কারণে ৩০%

(গ) কিছু অসৎ সমাজপতি/রাজনীতিকদের কারণে ১০% মামলার/বিবাদ সৃষ্টি হয়।
প্রতিকার কি ?
আইন অনুশীলন-এ ব্যর্থ অসৎ ও অদক্ষ বিচারক/বিচারপতিদের ত্বরিত শাস্তির ব্যবস্থা লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করতে হবে। নিয়মিত আইন পেশায় রত ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে আদর্শবান ও দক্ষ আইনজীবিদের দ্বারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বার কাউন্সিল এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের দ্বারা রাজনৈতিক দল সমূহের নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে। এবং সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রেখে মামলা মুক্ত সমাজ বিনির্মানে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আদর্শবান মেডিয়েটর বিশেষজ্ঞ সৃষ্টি করতে হবে।
দেশের সর্বত্র পর্যায়ক্রমে বিবাদমুক্ত সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলার প্রয়াসে;
(ক) জনগণকে শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠা দ্বারা বিবাদ/মামলা মুক্ত করতে উদ্ধুদ্ধ করবে।
(খ) বিচারাধীন বিবাদ/মামলা সমূহ থেকে মুক্ত করতে সৎ, নির্লোভ ও দক্ষ মেডিয়েটরদের পরামর্শ দ্বারা নিস্পত্তিতে বিবাদমান পক্ষকে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
(গ) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সৎ, নির্লোভ, দক্ষ ও আইন অনুশীলনে পক্ষপাতমুক্ত বিচারক/আইনজীবি/বিভিন্ন পেশায় রত পেশাজীবি/নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা/আইনশৃংখলা রক্ষায় সৎ ও পক্ষপাতমুক্ত অফিসার ও কর্মী/প্রকৃত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিক দের নিয়ে নিয়মিত ওয়ার্কশপ/সেমিনার/কনফারেন্স এর ব্যবস্থা দ্বারা নিজেদেরকে সমাজ বিনির্মাণে সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করবে।
বার্তা প্রেরক
ডাইরেক্টর (মিডিয়া এন্ড প্রেস)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মোঃ দেলোয়ার হোসেল ব্যক্তিগত কারণবশত বাংলাদেশ মেডিয়েশন সোসাইটির চেয়ারম্যান পদ হতে অব্যহতি নিয়েছে।
তিনি বাংলাদেশ মেডিয়েশন সোসাইটির চেয়ারম্যান পদে আসীন থাকাকালীন অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের অংশীদার ছিলেন। বাংলাদেশ মেডিয়েশন সোসাইটি তাঁর অবদানকে কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করে ।